পোস্টগুলি

#কুরবানির_হুকুম_ও_য়াজিব_না_সুন্নত?

ছবি
# কুরবানির_হুকুম_ও_য়াজিব_না_সুন্নত ? কুরবানির হুকুম কি? ওয়াজিব না সুন্নত? এ বিষয়ে ইমাম ও ফকীহদের মাঝে মতপার্থক্য রয়েছে এবং তাদের দুটো মত রয়েছে। প্রথম মত: কুরবানি ওয়াজিব। ইমাম আওযায়ী, ইমাম লাইস, ইমাম আবু হানীফা রহ. প্রমুখের মত এটাই। আর ইমাম মালেক ও ইমাম আহমদ রহ. থেকে একটি মত বর্ণিত আছে যে তারাও ওয়াজিব বলেছেন। দ্বিতীয় মত: কুরবানি সুন্নাতে মুয়াক্কাদাহ। এটি অধিকাংশ আলেমের মত এবং ইমাম মালেক ও শাফেয়ী রহ.-এর প্রসিদ্ধ মত। কিন্তু এ মতের প্রবক্তারা আবার বলেছেন: সামর্থ্য থাকা অবস্থায় কুরবানি পরিত্যাগ করা মাকরূহ। যদি কোনো জনপদের লোকেরা সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও সম্মিলিতভাবে কুরবানি পরিত্যাগ করে তবে তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করা হবে। কেননা, কুরবানি হল ইসলামের একটি শি‘য়ার বা মহান নিদর্শন। যারা কুরবানি ওয়াজিব বলেন তাদের দলিল: [এক] আল্লাহ তা‘আলা নির্দেশ দিয়েছেন:— ﴿ فَصَلِّ لِرَبِّكَ وَٱنۡحَرۡ ٢ ﴾ [الكوثر: ٢] ‘তোমার প্রতিপালকের উদ্দেশ্যে সালাত আদায় কর এবং (পশু) কুরবানি কর।’ [সূরা কাউছার, আয়াত: ২] আর আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের নির্দেশ পালন ওয়াজিব। [দুই] রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছ...

শুধুমাত্র দুই মেয়ে থাকলে সম্পত্তি বন্টনের নিয়ম

ছবি
কোন ব্যক্তি যদি শুধুমাত্র ২জন কন্যা সন্তান রেখে মৃত্যুবরণ করে তবে উক্ত মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি কিভাবে তার ওয়ারিশদের মধ্যে বন্টন হবে? ধরা যাক, মৃত ব্যক্তির ওয়ারিশ গনের মধ্যে আছে স্ত্রী, ২ কন্যা ও ১ ভাই এবং মোট সম্পত্তি ১০০ শতক। মৃত ব্যক্তির স্ত্রীর যদি কোন সন্তান থাকে তাহলে উক্ত স্ত্রী স্বামীর সম্পত্তি ১/৮ অংশ পাবে। অর্থাৎ ১০০ শতক জমির ৮ ভাগের ১ ভাগ পাবে স্ত্রী। ১০০/ ৮= ১২.৫ শতক। দুই কন্যা কি পরিমাণ সম্পত্তি পাবে? কোন ব্যক্তি যদি শুধুমাত্র ২ জন কন্যা সন্তান থাকে তাহলে উক্ত কন্যা সন্তানের প্রত্যেকেই পিতার মোট সম্পত্তির ১/৩ অংশের মালিক হবে। অর্থাৎ পিতার মোট সম্পত্তির তিন ভাগের এক ভাগ করে দুই কন্যাই পাবে। অতএব, ১০০/ ৩ = ৩৩.৩৩ শতক প্রত্যেক কন্যা পাবে। এখন জানা যাক মৃত ব্যক্তির ভাই কত অংশ পাবে? মোট সম্পত্তি ১০০ শতক এর মধ্যে- স্ত্রী———১২.৫ শতক ১ম কন্যা—-৩৩.৩৩ শতক ২য় কন্যা—-৩৩.৩৩ শতক = ৭৯.১৬ শতক অবশিষ্ঠ সম্পত্তি ১০০-৭৯.১৬ =২০.৮৪ শতক ভাই পাবে।

শিক্ষাজীবন শুরু করলো গোপালগঞ্জের যমজ পাঁচ ভাই বোন

ছবি
নতুন বই হাতে শিক্ষাজীবন শুরু করলো গোপালগঞ্জের পাঁচ যমজ শিশু। নতুন বছরে একই পোষাকে নতুন বই হাতে পাঁচ ভাই-বোন বেশ আনন্দে কাঁটিয়েছে। সোমবার দুপুরে বাবা-মায়ের হাত ধরে তারা গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার ৮১ নং করপাড়া মধ্য সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে একই সাথে প্রাক প্রাথমিক শিশু শ্রেণীতে ভর্তি হয়। পাঁচ যমজ শিশুর স্কুলে আসার খবরে তাদের দেখার জন্য বিপুল সংখ্যক অভিভাবক ভীড় করেন। শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা স্কুলে তাদের বরণ করে নেন। পরে তাদের হাতে বই তুলে দিয়ে স্কুলের বই উৎসব শুরু করেন। এরা হলো, রুবাইয়া খান হীরা, রুশরা খান মনি, রামিসা খান মুক্তা, রাইসা খান মালা ও মাহির গফ্ফার মানিক। এ সময় স্কুলের প্রধান শিক্ষক আশীষ কুমার রায়, স্কুল ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি নজরুল ইসলাম খান টিটো, তাদের বাবা করপাড়া ইউনিয়নের সাবেক মেম্বার ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী গফ্ফার খান ও মা গৃহিণী সোমাইয়া খানমসহ অভিভাবকরা উপস্থিত ছিলেন। যজম ওই পাঁচ শিশু ভবিষ্যতে বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীতে নিজেদের নিয়োজিত করবে বলে অভিব্যক্তি প্রকাশ করেন। মা সোমাইয়া খানম সকলের কাছে দোয়া চেয়েছেন যাতে তার সন্তানরা ভাল মানুষ হতে পারে এবং তাদের মনবাসনা পূরণ হয়। নতুন ...

ড্রাফটিং Drafting LLB Fainal 8th part

বিজ্ঞ জেলা ও দায়রা আদালত , ফরিদপুর ফৌজদারী মিসকেস নং - ২৫ / ২০১২ সূত্র : ভাঙ্গা থানার মামলা নং ১৫ ( ৫ )/ ২০১২ ধারা : ৩৯৫ পিনালকোড , ১৮৬০ । বিষয় : ফৌজদারী কার্যবিধি , ১৮৯৮ এর ৪৯৮ ধারা মতে জামিনে মুক্তির আবেদন প্রসঙ্গে । আব্দুল আওয়াল পিতা - সানাউল্লাহ গ্রাম : সদরদী থানা : ভাঙ্গা জেলা : ফরিদপুর । আসামী ও দরখাস্তকারী । বনাম রাষ্ট্র দরখাস্ত আসামী পক্ষের বিনীত প্রার্থনা এই যে , ১ ) দরখাস্তকারী আসামীকে সূত্রে বর্ণিত মোকদ্দমায় তদন্তকারী কর্মকর্তা বিগত ২৫ / ০৭ / ২০১৫ ইং তারিখে গ্রেফতার করে বিজ্ঞ ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টে সোপর্দ করেন । ২ ) ২৫ / ০৭ / ২০১৫ ইং তারিখে বিজ্ঞ ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে দরখাস্তকারীর পক্ষে জামিনের আবেদন করা হয় । বিজ্ঞ আদালত যুক্তিযুক্ত কারণ উল্লেখ না করেই জামিনের আবেদন না মঞ্জুর করত : আসামীকে জেল হাজতে পাঠানোর আদেশ দেন । দরখাস্তকারী আসামী ম্যাজিস্ট্রেটের উক্ত আদেশের প্রেক্ষিতে বিজ্ঞ অত্র আদালতে নিম্নবর্ণিত হেতুবাদে জামিনের প্রার্থনা করছেন । হেতুবাদ ১ ) দরখাস্তকারী আসামী সম...